হযরত জাবির ইবনে আব্দুল্লাহ আনছারী রদ্বিয়াল্লাহু তা‘য়ালা আনহু উনার থেকে বর্ণিত সম্মানিত ও পবিত্র বিশুদ্ধ হাদীছ শরীফ উনার মধ্যে নূরে মুজাসসাম হাবীবুল্লাহ হুযূর পাক ছল্লাল্লাহু আলাইহি ওয়া সাল্লাম তিনি ইরশাদ মুবারক করেন,
وَمن الثَّالِث نور أنسهم وَهُوَ التَّوْحِيد لَاۤ اِلٰهَ اِلَّا اللَّهُ مُحَمَّدٌ رَّسُوْلُ اللَّهِ صَلَّى اللهُ عَلَيْهِ وَسَلَّمَ
অর্থ: “সম্মানিত ৩য় অংশ নূর মুবারক থেকে মু’মিন উনাদের উন্ছের নূর মুবারক সৃষ্টি মুবারক করেন। আর তা হচ্ছেন সম্মানিত তাওহীদ মুবারক-لَاۤ اِلٰهَ اِلَّا اللَّهُ مُحَمَّدٌ رَّسُوْلُ اللَّهِ صَلَّى اللهُ عَلَيْهِ وَسَلَّمَ (এই সম্মানিত ও পবিত্র কালিমা শরীফ) উনার সম্মানিত নূর মুবারক।” সুবহানাল্লাহ! (মাওয়াহিবুল লাদুননিয়্যাহ, আল বারাহীনুল ক্বিত্বইয়্যাহ, মাদারেজুন নুবুওয়াত, ফতওয়ায়ে হাদীছিয়্যাহ)
আহলে সুন্নাত ওয়াল জামায়াত উনার সমস্ত ইমাম-মুজতাহিদ রহমতুল্লাহি আলাইহিম উনারা এই সম্মানিত ও পবিত্র হাদীছ শরীফখানা উনাকে ছহীহ বলেছেন। সুবহানাল্লাহ!
একমাত্র যিনি খালিক রব মহান আল্লাহ পাক তিনি ব্যতীত সমস্ত হযরত নবী-রসূল আলাইহিমুস সালাম উনারাসহ তামাম কায়িনাতবাসীর কালিমা শরীফ :
عن جابر بن عبد الله قال قال رسول الله صلى الله عليه وسلم كَانَ نَقْشُ خَاتَمِ سُلَيْمَانَ بْنِ دَاوُدَ لَاۤ اِلٰهَ اِلَّا اللَّهُ مُحَمَّدٌ رَّسُوْلُ اللَّهِ صَلَّى اللهُ عَلَيْهِ وَسَلَّمَ."
অর্থ: “হযরত জাবির রদ্বিয়াল্লাহু তা‘য়ালা আনহু উনার থেকে বর্ণিত। তিনি বলেন, নূরে মুজাসসাম হাবীবুল্লাহ হুযূর পাক ছল্লাল্লাহু আলাইহি ওয়া সাল্লাম তিনি ইরশাদ মুবারক করেন, হযরত সুলাইমান ইবনে দাঊদ আলাইহিস সালাম উনার সম্মানিত আংটি মুবারক-এ নকশা করে লিখা ছিলেন-لَاۤ اِلٰهَ اِلَّا اللهُ مُحَمَّدٌ رَّسُوْلُ اللهِ صَلَّى اللهُ عَلَيْهِ وَسَلَّمَ লা ইলাহা ইল্লাল্লাহু মুহম্মদুর রসূলুল্লাহ ছল্লাল্লাহু আলাইহি ওয়া সাল্লাম।” সুবহানাল্লাহ! (ফাওয়াইদ, আস সীরাতুল হালাবিয়্যাহ শরীফ ১/৩২০, তাফসীরে কুরতুবী শরীফ ১৫/২০০, খছায়িছুল কুবরা ১/১২, ‘উয়ূনুল আছার ১/৯৫)
হযরত ইমাম জালালুদ্দীন সুয়ূত্বী রহমতুল্লাহি আলাইহি উনার মতে এই সম্মানিত ও পবিত্র হাদীছ শরীফখানা ছহীহ। কেননা তিনি বলেন,
قُلْتُ: وَيَدُلُّ لِكَوْنِهِ مُرْسَلًا إِلَى الْأَنْبِيَاءِ مَا وَرَدَ مِنْ حَدِيثِ عُبَادَةَ بْنِ الصَّامِتِ، وَجَابِرِ بْنِ عَبْدِ اللَّهِ مَرْفُوعًا ্রكَانَ نَقْشُ خَاتَمِ سُلَيْمَانَ بْنِ دَاوُدَ لَاۤ اِلٰهَ اِلَّا اللهُ مُحَمَّدٌ رَّسُوْلُ اللهِ صَلَّى اللهُ عَلَيْهِ وَسَلَّمَ গ্ধ.
অর্থ: “আমি বলি, সাইয়্যিদুল মুরসালীন, ইমামুল মুরসালীন, খ¦াতামুন নাবিইয়ীন, নূরে মুজাসসাম, হাবীবুল্লাহ হুযূর পাক ছল্লাল্লাহু ওয়া সাল্লাম তিনি সমস্ত হযরত নবী-রসূল আলাইহিমুস সালাম উনাদেরও নবী ও রসূল ছল্লাল্লাহু আলাইহি ওয়া সাল্লাম হিসেবে প্রেরিত হয়েছেন, এর দলীল হচ্ছেন ‘উবাদাহ ইবনে ছামিত রদ্বিয়াল্লাহু তা‘য়ালা আনহু উনার এবং জাবির রদ্বিয়াল্লাহু তা‘য়ালা আনহু উনার অর্থাৎ উনাদের উভয়ের থেকে বর্ণিত সম্মানিত ও পবিত্র মারফূ’ হাদীছ শরীফ- ‘হযরত সুলাইমান ইবনে দাঊদ আলাইহিস সালাম উনার সম্মানিত আংটি মুবারক-এ নকশা করে লিখা ছিলেন-لَاۤ اِلٰهَ اِلَّا اللهُ مُحَمَّدٌ رَّسُوْلُ اللهِ صَلَّى اللهُ عَلَيْهِ وَسَلَّمَ লা ইলাহা ইল্লাল্লাহু মুহম্মদুর রসূলুল্লাহ ছল্লাল্লাহু আলাইহি ওয়া সাল্লাম’।” সুবহানাল্লাহ! (হাওই শরীফ ২/১৩৮, ফতওয়ায়ে রমলী ৬/১৪৬)
কিতাবে বর্ণিত রয়েছে,
ووجد على حجر بالخط العبراني: ্রباسمك اللهم جاء الحق من ربك بلسان عربي مبين لا إله إلا الله محمد رسول الله كتبه موسي بن عمران .
অর্থ: “একটি পাথরের উপর ইবরানী ভাষায় হস্তাক্ষরে এরূপ লেখা পাওয়া গেছে- আয় মহান আল্লাহ পাক! আপনার সম্মানিত ও পবিত্র ইসম বা নাম মুবারক-এ শুরু করছি। সত্য এসেছেন আপনার রব মহান আল্লাহ পাক উনার পক্ষ থেকে সুস্পষ্ট আরবী ভাষাসহ-لَاۤ اِلٰهَ اِلَّا اللهُ مُحَمَّدٌ رَّسُوْلُ اللهِ صَلَّى اللهُ عَلَيْهِ وَسَلَّمَ ‘লা ইলাহা ইল্লাল্লাহু মুহম্মদুর রসূলুল্লাহ ছল্লাল্লাহু আলাইহি ওয়া সাল্লাম।’ সুবহানাল্লাহ! (তারপর হস্তাক্ষরে আরো লিখা রয়েছে,) এটা লিখেছেন হযরত মূসা ইবনে ইমরান আলাইহিস সালাম তিনি।” সুবহানাল্লাহ! (শরহুল বুখারী শরীফ ২/১১৮, আত তারীখুল কাবীর লিলবুখারী ১/৪৪৫, দালাইলুন নুবুওওয়াহ ২/৬২, খছায়িছুল কুবরা ১/৬২-৬৩, সুবুলুল হুদা ওয়ার রশাদ ১/১০৩, ফাইদুল ক্বদীর শরহুল জামি‘িয়ছ ছগীর ১/২৩১, আস সীরতুল হালাবিয়্যাহ শরীফ ১/৩২০, আল মাওয়াহিবুল লাদুননিয়্যাহ ১/৪৫৩ ইত্যাদী )
কাজেই একমাত্র মহান আল্লাহ পাক তিনি ব্যতীত সমস্ত হযরত নবী-রসূল আলাইহিমুস সালাম উনারাসহ সমস্ত কায়িনাতবাসীর কালিমা শরীফ হচ্ছেন- لَاۤ اِلٰهَ اِلَّا اللهُ مُحَمَّدٌ رَّسُوْلُ اللهِ صَلَّى اللهُ عَلَيْهِ وَسَلَّمَ। এ বিষয়ে সমস্ত উম্মতের ইজমা’ প্রতিষ্ঠিত হয়েছে, ক্বিয়ামত পর্যন্ত কেউ কস্মিনকালেও শুধু لَا إِلَهَ إِلَّا اللَّهُ বললে ঈমানদার হতে পারবে না, যতক্ষণ পর্যন্ত مُحَمَّدٌ رَسُول اللَّهِ صَلَّى اللهُ عَلَيْهِ وَسَلَّمَ না বলবে। সুবহানাল্লাহ!
যেমন, কিতাবে বর্ণিত রয়েছে,
كلمة الإيمان وهي لا إله إلا الله محمد رسول الله للإجماع على أنه لا يعتد في الإسلام بتلك وحدها
অর্থ: “কালিমাতুল ঈমান বা সম্মানিত ঈমান মুবারক উনার কালিমা হচ্ছেন-لَاۤ اِلٰهَ اِلَّا اللهُ مُحَمَّدٌ رَّسُوْلُ اللهِ صَلَّى اللهُ عَلَيْهِ وَسَلَّمَ (লা ইলাহা ইল্লাল্লাহু মুহম্মদুর রসূলুল্লাহ ছল্লাল্লাহু আলাইহি ওয়া সাল্লাম)। এই বিষয়ে সমস্ত উম্মতের ইজমা’ হয়েছে যে, কেউ যদি শুধু لَا إِلَهَ إِلَّا اللَّهُ বলে, তাহলে সে কস্মিনকালেও ঈমানদার হতে পারবে না, যতক্ষণ পর্যন্ত مُحَمَّدٌ رَسُولٌ اللَّهِ صَلَّى اللهُ عَلَيْهِ وَسَلَّمَ না বলবে।” সুবহানাল্লাহ! (মির‘আতুল মাফাতীহ ৬/৫৮)
হযরত ইবনে আব্বাস রদ্বিয়াল্লাহু তা‘য়ালা আনহু তিনি বলেন,
وَلَوْ أَنَّ عَبْدًا عَبَدَ اللَّهَ وَصَدَّقَهُ فِي كُلِّ شَيْءٍ وَلَمْ يَشْهَدْ أَنَّ مُحَمَّدًا رَسُولُ اللَّهِ لَمْ يَنْتَفِعْ بِشَيْءٍ وَكَانَ كَافِرًا.
অর্থ: “যদি কোনো ব্যক্তি মহান আল্লাহ পাক উনার ইবাদত-বন্দেগী করে এবং উনার যাবতীয় বিষয় বিশ্বাস করে, তারপরেও সে এক যাররা পরিমাণ ফায়দা লাভ করতে পারবে না এবং নিঃসন্দেহে সে কাফির; যদি সে সাক্ষ্য না দেয়,
أَنَّ مُحَمَّدًا رَسُولُ اللَّهِ
নিশ্চয়ই নূরে মুজাসসাম হাবীবুল্লাহ হুযূর পাক ছল্লাল্লাহু আলাইহি তিনি মহান আল্লাহ পাক উনার রসূল ছল্লাল্লাহু আলাইহি ওয়া সাল্লাম।” সুবহানাল্লাহ! (তাফসীরে বাগভী শরীফ ৮/৪৬৩)
কাজেই একমাত্র মহান আল্লাহ পাক তিনি ব্যতীত সমস্ত হযরত নবী-রসূল আলাইহিমুস সালাম উনারাসহ সমস্ত কায়িনাতবাসীর কালিমা শরীফ হচ্ছেন- لَاۤ اِلٰهَ اِلَّا اللهُ مُحَمَّدٌ رَّسُوْلُ اللهِ صَلَّى اللهُ عَلَيْهِ وَسَلَّمَ। এ বিষয়ে সমস্ত উম্মতের ইজমা’ প্রতিষ্ঠিত হয়েছে, ক্বিয়ামত পর্যন্ত কেউ কস্মিনকালেও শুধু لَا إِلَهَ إِلَّا اللَّهُ বললে ঈমানদার হতে পারবে না, যতক্ষণ পর্যন্ত مُحَمَّدٌ رَسُول اللَّهِ صَلَّى اللهُ عَلَيْهِ وَسَلَّمَ না বলবে। সুবহানাল্লাহ!
যেমন, কিতাবে বর্ণিত রয়েছে,
كلمة الإيمان وهي لا إله إلا الله محمد رسول الله للإجماع على أنه لا يعتد في الإسلام بتلك وحدها
অর্থ: “কালিমাতুল ঈমান বা সম্মানিত ঈমান মুবারক উনার কালিমা হচ্ছেন-لَاۤ اِلٰهَ اِلَّا اللهُ مُحَمَّدٌ رَّسُوْلُ اللهِ صَلَّى اللهُ عَلَيْهِ وَسَلَّمَ (লা ইলাহা ইল্লাল্লাহু মুহম্মদুর রসূলুল্লাহ ছল্লাল্লাহু আলাইহি ওয়া সাল্লাম)। এই বিষয়ে সমস্ত উম্মতের ইজমা’ হয়েছে যে, কেউ যদি শুধু لَا إِلَهَ إِلَّا اللَّهُ বলে, তাহলে সে কস্মিনকালেও ঈমানদার হতে পারবে না, যতক্ষণ পর্যন্ত مُحَمَّدٌ رَسُولٌ اللَّهِ صَلَّى اللهُ عَلَيْهِ وَسَلَّمَ না বলবে।” সুবহানাল্লাহ! (মির‘আতুল মাফাতীহ ৬/৫৮)
হযরত ইবনে আব্বাস রদ্বিয়াল্লাহু তা‘য়ালা আনহু তিনি বলেন,
وَلَوْ أَنَّ عَبْدًا عَبَدَ اللَّهَ وَصَدَّقَهُ فِي كُلِّ شَيْءٍ وَلَمْ يَشْهَدْ أَنَّ مُحَمَّدًا رَسُولُ اللَّهِ لَمْ يَنْتَفِعْ بِشَيْءٍ وَكَانَ كَافِرًا.
অর্থ: “যদি কোনো ব্যক্তি মহান আল্লাহ পাক উনার ইবাদত-বন্দেগী করে এবং উনার যাবতীয় বিষয় বিশ্বাস করে, তারপরেও সে এক যাররা পরিমাণ ফায়দা লাভ করতে পারবে না এবং নিঃসন্দেহে সে কাফির; যদি সে সাক্ষ্য না দেয়,
أَنَّ مُحَمَّدًا رَسُولُ اللَّهِ
নিশ্চয়ই নূরে মুজাসসাম হাবীবুল্লাহ হুযূর পাক ছল্লাল্লাহু আলাইহি তিনি মহান আল্লাহ পাক উনার রসূল ছল্লাল্লাহু আলাইহি ওয়া সাল্লাম।” সুবহানাল্লাহ! (তাফসীরে বাগভী শরীফ ৮/৪৬৩)
No comments:
Post a Comment