আজকে বাদ মাগরীব থেকে শুরু হবে ইতিহাসের একটি বিশেষ দিন।
এ দিনকে বলা হয়- আখেরী চাহার শোম্বা।
এ দিনকে বলা হয়- আখেরী চাহার শোম্বা।
আখের শব্দের অর্থ- শেষ
এবং চাহার শোম্বা ফারসী শব্দ। অর্থ- বুধবার।
অর্থাৎ আখেরী চাহার শোম্বা শব্দের অর্থ শেষ বুধবার।
এবং চাহার শোম্বা ফারসী শব্দ। অর্থ- বুধবার।
অর্থাৎ আখেরী চাহার শোম্বা শব্দের অর্থ শেষ বুধবার।
এ পবিত্র দিন পালনের ইতিহাস:
আখিরী রসূল, সল্লাল্লাহু আলাইহি ওয়া সাল্লাম ১১ হিজরী সনের মুহররম মাসের তৃতীয় সপ্তাহে শারীরিক অসুস্থতা অনুভব করেন। এরপরে আবার সুস্থতা বোধ করেন। অতঃপর ছফর মাসের তৃতীয় সপ্তাহে আবার শারীরিক অসুস্থতা অনুভব করেন। অধিকাংশ ও প্রসিদ্ধ বর্ণনার দ্বারা প্রমাণিত, ছফর মাসের শেষ বুধবার বাদ আছর পুনরায় অসুস্থতা অনুভব করেন এবং তা ১২ দিন পর্যন্ত দীর্ঘায়িত হয়।
শারীরিক অসুস্থতা অনুভব করার কারণে সাহাবীগণ চিন্তিত হয়ে পড়েছিলেন যে, আখিরী রসূল, নূরে মুজাসসাম, হাবীবুল্লাহ হুযূর পাক ছল্লাল্লাহু আলাইহি ওয়া সাল্লাম তিনি কি সত্যিই দুনিয়া থেকে বিদায় গ্রহণ করবেন ?
কিন্তু আখিরী রসূল সল্লাল্লাহু আলাইহি ওয়া সাল্লাম তিনি দীর্ঘদিন শারীরিক অসুস্থতা অনুভব পর পবিত্র আখিরী চাহার শোম্বাহ (সফর মাসের শেষ বুধবার) সকালে আবার সুস্থতা অনুভত করেন। অতঃপর গোসল করতঃ হযরত উম্মুল মু’মিনীনগণ এবং হযরত আহলে বাইতগণকে সাথে নিয়ে খাদ্য খান। অতঃপর সাহাবীগণদের খোঁজ-খবর নেন এবং খুশি প্রকাশ করে মসজিদে নববী শরীফে অবস্থান নেন। সুবহানাল্লাহ।
রাসূল পাক ছল্লাল্লাহু আলাইহি ওয়া সাল্লাম সুস্থ হয়ে গেছেন, এ বিষয়টি দেখে সাহাবীগণ অত্যন্ত আনন্দিত হন এবং নবীজির সাথে দেখা সাক্ষাৎ করেন। হাদীয়া তোহফা দেন। গরীবদের দান-সদকা করেন।
(তথ্যসূত্র: সীরাতে ইবনে হিশাম: দ্বিতীয় ভাগ, পৃষ্ঠা ৬৫৩, আদ দ্বীন ওয়াত তারীখুল হারামাইনিশ শারীফাঈন, পৃষ্ঠা ২৮১, ২৮৩; মা ছাবাতা বি ছুন্নাহ্, মাদারেজুন্নুবুওওয়াত)
আখিরী রসূল, সল্লাল্লাহু আলাইহি ওয়া সাল্লাম ১১ হিজরী সনের মুহররম মাসের তৃতীয় সপ্তাহে শারীরিক অসুস্থতা অনুভব করেন। এরপরে আবার সুস্থতা বোধ করেন। অতঃপর ছফর মাসের তৃতীয় সপ্তাহে আবার শারীরিক অসুস্থতা অনুভব করেন। অধিকাংশ ও প্রসিদ্ধ বর্ণনার দ্বারা প্রমাণিত, ছফর মাসের শেষ বুধবার বাদ আছর পুনরায় অসুস্থতা অনুভব করেন এবং তা ১২ দিন পর্যন্ত দীর্ঘায়িত হয়।
শারীরিক অসুস্থতা অনুভব করার কারণে সাহাবীগণ চিন্তিত হয়ে পড়েছিলেন যে, আখিরী রসূল, নূরে মুজাসসাম, হাবীবুল্লাহ হুযূর পাক ছল্লাল্লাহু আলাইহি ওয়া সাল্লাম তিনি কি সত্যিই দুনিয়া থেকে বিদায় গ্রহণ করবেন ?
কিন্তু আখিরী রসূল সল্লাল্লাহু আলাইহি ওয়া সাল্লাম তিনি দীর্ঘদিন শারীরিক অসুস্থতা অনুভব পর পবিত্র আখিরী চাহার শোম্বাহ (সফর মাসের শেষ বুধবার) সকালে আবার সুস্থতা অনুভত করেন। অতঃপর গোসল করতঃ হযরত উম্মুল মু’মিনীনগণ এবং হযরত আহলে বাইতগণকে সাথে নিয়ে খাদ্য খান। অতঃপর সাহাবীগণদের খোঁজ-খবর নেন এবং খুশি প্রকাশ করে মসজিদে নববী শরীফে অবস্থান নেন। সুবহানাল্লাহ।
রাসূল পাক ছল্লাল্লাহু আলাইহি ওয়া সাল্লাম সুস্থ হয়ে গেছেন, এ বিষয়টি দেখে সাহাবীগণ অত্যন্ত আনন্দিত হন এবং নবীজির সাথে দেখা সাক্ষাৎ করেন। হাদীয়া তোহফা দেন। গরীবদের দান-সদকা করেন।
(তথ্যসূত্র: সীরাতে ইবনে হিশাম: দ্বিতীয় ভাগ, পৃষ্ঠা ৬৫৩, আদ দ্বীন ওয়াত তারীখুল হারামাইনিশ শারীফাঈন, পৃষ্ঠা ২৮১, ২৮৩; মা ছাবাতা বি ছুন্নাহ্, মাদারেজুন্নুবুওওয়াত)
আমাদের প্রিয় নবী সাল্লাল্লাহু আলাইহি ওয়া সাল্লামের স্মৃতি বিজড়িত এ দিনটি পালন করে আমরা ঐ পবিত্র সময়ের কথা স্মরণ করবো এবং আমাদের প্রিয় নবীজির ভালোবাসায় প্রত্যেকে উদ্বেলিত হবো। ইনশাল্লাহ।

No comments:
Post a Comment